SD Live TV Please click the play button

হায়দরাবাদের এনকাউন্টার দেখে শিখুক যোগীর পুলিশ, দাবি মায়াবতীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হায়দরাবাদের তরুণী পশু চিকিত্‍সককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত চার যুবক শুক্রবার ভোরবেলা পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয়েছে। তারপর থেকেই দেশজুড়ে হায়দরাবাদ পুলিশের প্রশংসা শুরু হয়েছে। এবার সেই সুরে গলা মেলালেন বহুজন সমাজবাদী পার্টি নেত্রী তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী। উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে শিক্ষা নিতে বললেন এই ঘটনা থেকে। এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে মায়াবতী বলেন, ‘হায়দরাবাদ পুলিশ যা করেছে তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। উত্তরপ্রদেশে এই ধরনের ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে। একটা জেলায় নয়, সব জেলাতে হচ্ছে। বাচ্চা মেয়ে হোক কিংবা বৃদ্ধা, কাউকে ছাড়া হচ্ছে না। উত্তরপ্রদেশে জঙ্গলরাজ চলছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও দিল্লি পুলিশের উচিত হায়দরাবাদ পুলিশের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে। কী ভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়, কী ভাবে ধর্ষকদের সাজা দিতে হয় তা দেখিয়ে দিল হায়দরাবাদ পুলিশ।’
এমনকি এই ব্যাপারে যোগী সরকারেরও দুর্বলতা রয়েছে বলে দাবি মায়াবতীর। তাঁর কথায়, যখন ধর্ষণের মতো কোনও ঘটনা ঘটে তখন কোনও রাজনৈতিক রং না দেখে তার তদন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। ফলে ধর্ষকদের সাহস আরও বেড়ে যাচ্ছে। ধর্ষণের মোকাবিলা করতে ব্যর্থ যোগী সরকার। শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটে-চারটে নাগাদ তদন্ত চলাকালীন পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে হায়দরাবাদ ধর্ষণে চার অভিযুক্ত। তখনই গুলি করে মারা হয় তাদের। এ দিন তদন্তের জন্য ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার কাজ করছিল পুলিশ। তখনই চার ধর্ষককে নিয়ে যাওয়া হয় এনএইচ ৪৪-এ, যেখানে গত সপ্তাহের বুধবার তরুণী পশু চিকিত্‍সককে গণধর্ষণ করে আগুনে পুড়িয়ে খুন করে তারা। চলছিল তদন্ত, জেরা। এ সময়ে হঠাত্‍ই চার ধর্ষক পালাতে যায় বলে দাবি করেছে পুলিশ। তখনই চালাতে হয় গুলি। ঘটনাস্থলেই খতম হয় চারজন। এই ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে হায়দরাবাদ পুলিশকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নানারকমের পোস্টে ভরে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের সেলিব্রিটিরা সবাই প্রশংসা করেছেন পুলিশের এই ভূমিকার। যদিও কেউ কেউ দাবি করেছেন কোর্টে বিচারের মাধ্যমেই দোষীদের শাস্তি দেওয়া যেত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *